1. yousuf.islamics@gmail.com : admin :
  2. editor@sirajganjsangbad.com : Md. Ruhul Amin : Md. Ruhul Amin
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ন

বেলকুচিতে ১১ বছর আগের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রীসহ আ.লীগের ৫৬ নেতা-কর্মীর নামে যুবদল নেতার মামলা

সিরাজগঞ্জ সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ৮৩৪ বার পঠিত

জহুরুল ইসলাম:
সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে ১১ বছর আগে ১৮ দলীয় জোটের মিছিলে হামলার ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এতে আবদুল লতিফ বিশ্বাসকে প্রধান আসামি করে আওয়ামী লীগের ৫৬ জন নেতা কর্মীকে আসামি করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য আসামির মধ্যে আছেন, বেলকুচি পৌর সভার সাবেক মেয়র ও যুবলীগ নেতা সাজ্জাদুল হক রেজা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র আশানুর বিশ্বাস,বেলকুচি সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা সোলায়মান হোসেন, দৌলতপুর ইউপি চেয়ারম্যান লাজুক ববিশ্বাস ও ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম ভূঁইয়া।
এ ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০-২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

গতকাল রোববার দিবাগত রাত দশটার দিকে বেলকুচি পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল হালিম বাদী হয়ে বেলকুচি থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকেরিয়া হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে সোমবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে এই প্রতিবেদককে বলেন, মামলাটি নথিভুক্ত করার পর এ বিষয়ে পুলিশের তদন্ত শুরু হয়েছে।

মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৭ নভেম্বরের দুপুরের দিকে পৌর শহরের মুকন্দগাতী এলাকা হতে ১৮ দলীয় জোটের একটি মিছিল সোহাগপুর বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পৌছালে হঠাৎ আসামিরা সেই মিছিলে হামলা চালায় । সেই সঙ্গে বোমা বিস্ফোরন ঘটায়। এতে জোটের তিন নেতা কর্মী আহত হন। সে সময় মামলার পরিবেশ না থাকায় এ বিষয়ে দীর্ঘ দিন পর এই মামলাটি দায়ের করা হলো।

৪ আগস্ট জেলার চৌহালী উপজেলার এনায়েতপুর থানায় ১৫ পুলিশ হত্যার ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা একটি মামলায় অজ্ঞাত আসামি হিসেবে সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ বিশ্বাসকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রোববার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ছয়টায় তাঁকে এনায়েতপুর থানা আমলি আদালতে হাজির করা হলে আদালতের বিচারক ওমর ফারুক মামলার শোনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালি) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন লতিফ বিশ্বাস। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করলে শেখ হাসিনার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত হন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে আবদুল লতিফ বিশ্বাস সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে দ্বিতীয়বারের মতো সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসকের পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য তিনি সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন।  

আবদুল লতিফ বিশ্বাস গত বছরের ৭ জানুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঈগল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন। এই নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগ–সমর্থিত প্রার্থীর কাছে স্বল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। এর পর থেকে নিজ এলাকাতেই অবস্থান করছিলেন তিনি।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ সিরাজগঞ্জ সংবাদ
Theme Customized BY Shakil IT Park