1. yousuf.islamics@gmail.com : admin :
  2. editor@sirajganjsangbad.com : Md. Ruhul Amin : Md. Ruhul Amin
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জে ১৬ বছর পর আলোচিত হত্যা মামলার রায়: ৭ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তাড়াশে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে আটক ব্যক্তিকে মারধর, পুলিশের কাছে সোপর্দ চলনবিলে বন্যার পানি ঢুকতেই নৌকা তৈরির ধুম! দিন-রাত ব্যস্ত কারিগররা আমি কৃষকের সন্তান, এ পরিচয়ে গর্ববোধ করি”—উল্লাপাড়ায় বিরোধীদলীয় হুইপ রফিকুল ইসলাম খান সিরাজগঞ্জের সেই প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত, কি আছে আদেশে? বেলকুচিতে বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে প্রধান শিক্ষককে মারধর, থানায় অভিযোগ  নিখোঁজ দুই স্কুল ছাত্রের সন্ধান দাবিতে মানববন্ধনের পর পুলিশের তৎপরতায় গ্রেপ্তার-২ ‎ ‎ বেলকুচিতে প্রাথমিকের টিফিন খেয়ে ৮ শিক্ষার্থী অসুস্থ, ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন উল্লাপাড়ায় স্কুল কমিটি নিয়ে সংঘর্ষ, সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত নিয়োগের উদাহরণ, সিরাজগঞ্জে এএসআই নিয়োগ কার্যক্রমে কঠোর নজরদারি

এনায়েতপুরে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহতের লাশ উত্তোলনে স্বজনদের অনিহা

সিরাজগঞ্জ সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৪৪৬ বার পঠিত

জহুরুল ইসলাম:
সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে ৩ নিহতদের লাশ কবরস্থান থেকে উত্তোলনে অনিহা প্রকাশ করে সংবাদ সন্মেলন করেছে নিহতদের স্বজনরা।

রোববার (৩ নভেম্বর) সকালে খুকনী ইউনিয়নে নিহত ইয়াহিয়ার নিজ বাড়িতে এক সংবাদ সন্মেলনে উক্ত দাবী করেন ইয়াহিয়ার স্ত্রী শাহানা খাতুন। এছাড়া নিজ নিজ বাড়িতে মাদ্রাসা ছাত্র হাফেজ সিয়াম হোসেনের বাবা আব্দুল কদ্দুস ও কলেজ ছাত্র শিহাব হোসেনের মা শাহনাজ বেগমও সংবাদ সম্মেলন করে।

এ সময় নিহত ইয়াহিয়া’র স্ত্রী শাহানা খাতুন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গত ৪ আগষ্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আমার স্বামী ইয়াহিয়া পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। এই ঘটনায় আমি মামলা করতে ইচ্ছুক ছিলাম না কিছু লোক এসে আমাদের পুরো পরিবার ও সংসারের দায়িত্ব নেন তারপর তারা আমার কাছে থেকে একটা সই নেয়। এরপর মুখে মুখে জানতে পারি তারা এই সই দিয়ে থানায় এজাহার দিয়েছে। মামলার বিষয় আমি কিছুই জানি না। আমার স্বামীর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তোলন করতে দেবোনা। নতুন করে আর শোক নিতে পারবো না। স্বামী হারিয়ে এমনিতে আমরা দিশেহারা হয়ে গিয়েছি। এখন মরা মানুষকে নিয়ে টানাটানি শুরু হয়েছে। আমার চাওয়া একটাই আমার স্বামীর যেনো শহীদের মর্যাদা পায়।

মাদ্রাসা ছাত্র হাফেজ সিয়াম হোসেনের বাবা কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আমার ছেলে থানার সামনে পুলিশের গুলিতে মারা যান আমরা খবর পেয়ে গিয়ে দেখি ছেলের লাশ এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ওখান থেকে আমার ছেলের লাশ নিয়ে এসে দাফন করি। কে বা কারা এ বিষয় মামলা করেছে, মামলার বাদী কে? তাকেও আমরা চিনি না, আমাদের কাছে থেকে মামলা বিষয়ে অনুমতি নেয় নাই কেউ। আমার ছেলের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তোলন করবে বলে পুলিশ এসে বলে গেছে। আমার ছেলের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তোলন করতে দিবোনা। আমরা তো মামলা করি নাই, লাশ কেন তুলবে। পুলিশের গুলিতে আমার ছেলে মরেছে, পুলিশও মরেছে, এতে সমান সমার হয়েছে। এ মামলা প্রত্যাহার চাই।

অন্য দিকে কলেজ শিক্ষার্থী শিহাব হোসেনের মা বলেন, আমার সন্তান শিহাব হোসেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে মারা যান, আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। সেজন্য আমরা পুরো পরিবার চরম ভাবে কষ্ট পাচ্ছি। এর জন্য মামলা দিয়ে কোন নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি আমরা করতে চাই না। কে মামলা দিয়েছে তাকে আমরা চিনি না। আমরা কাউকে মামলা দেওয়ার অনুমতি দেইনি আমিতো মামলা করি নাই। তাই মামলা চালানোর কোন প্রশ্নই আসে না। আমি চাই এই মামলা প্রত্যাহার করা হোক। পুলিশ যেন এই মামলা প্রত্যাহার করে নেয়। অহেতুক নিরাপরাধ লোকদের আসামী করে শহীদ সন্তানের আত্মাকে কষ্ট দিতে চাই না, আর আমিও পাপের ভাগিদার হতে চাই না। মৃত দেহ যেন কাটা-ছেড়া না করা হয়। এই মামলা যেন প্রত্যাহার করা হয়। আর যারা উদ্দেশ্য মূলকভাবে রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের জন্য আমার সন্তানের লাশকে ব্যবহার করে ব্যবসা করতে চায়, নিরাপরাধ ব্যক্তিদের নামে মামলা দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে এ স্বাধীনতা তাদের প্রতি যেন যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা দেখানো হয়। এবং আমাদের পরিবারের চলার মত ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়।
সংবাদ সন্মেলনে নিহতের স্বজন ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ সিরাজগঞ্জ সংবাদ
Theme Customized BY Shakil IT Park