1. yousuf.islamics@gmail.com : admin :
  2. editor@sirajganjsangbad.com : Md. Ruhul Amin : Md. Ruhul Amin
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ন

তাড়াশে চলছে গ্রাম-বাংলার বউ-ঝিদের মাছ ধরার উৎসব

সিরাজগঞ্জ সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ৩১৮ বার পঠিত

 সাব্বির মির্জা,তাড়াশ প্রতিনিধিঃ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে গ্রাম-বাংলার বউঝিদের মাছ ধরার উৎসব চলছে। এক সময় বর্ষায় গ্রাম বাংলার নিচু জমি খাল-বিলের পানি নেমে যেত। আর সেখানে গ্রামের মানুষ পানি সেচে মাছ ধরত। আগে খাল-বিল, পুকুর-ডোবা আর খেত শুকিয়ে গেলে গ্রামের মানুষ দল বেঁধে থালা-বাটি নিয়ে মাছ ধরার জন্য নেমে যেত। খাল, বিল, নদী নালা ডোবার পানি সেচে মাছ ধরত তারা। এ সময় আনন্দ উল্লাসে গ্রামের মানুষ ডোবা, নালা, খাল-বিলের শূন্য পানিতে কাঁদার ভেতরে হাত ঢুকিয়ে তুলে আনত একের পর এক মাছ। ডোবায় মিলত শোল, টাকি, পুঁটি, খলশে, কৈ, মাগুর, শিং, ট্যাংরা, পুঁটি ও দেশীয় প্রজাতির নানা মাছ। 

স্থানীয়রা জানান, ভাদ্র মাসের তীব্র গরম আর প্রখর রোদে নদ-নদীর পানি, খাল-নালা ও নিচু জমির পানি শুকিয়ে যেতে থাকে। ডুবে থাকা ডোবা, নালা, খাল বিলের পানি শুকিয়ে গেলে এসব স্থানে আটকা পড়ে নানা প্রজাতির দেশীয় মাছ। সে সময় কাঁদা পানিতে নেমে হাত দিয়ে মাছ শিকার করে গ্রাম-বাংলার মানুষ। তীব্র রোদে হাঁটু পর্যন্ত কাঁদা পানিতে মাছ ধরা গ্রাম বাংলার অন্যতম বিনোদনও বটে। 
বর্তমানে উপজেলার নদী, খাল, বিল ও ছোট ছোট খাদ কালের বিবর্তনে অনেকটাই ছোট হয়ে গেছে। তারপরও বর্ষা মৌসুমে পানিতে টইটম্বুর হয়ে ওঠে এসব নদী খাল বিল ও ডোবা নালা। বর্ষায় ডুবে যায় ধানখেত আর নিচু জমি। পানির সঙ্গে সেই জমিতে দেশীয় জাতের নানা মাছের আগমন ঘটে। নওগাঁ ইউনিয়নের বিরোল গ্রামের রতন আলী জানান, ‘প্রতি বছর বর্ষাকাল শেষ হলে পানি কমে যায়। এ অঞ্চলের নিচু জমিগুলোতে মাছ ধরার উৎসব চলে। সেই উৎসবে মাছ ধরায় মেতে ওঠে নারী-পুরুষ, ছেলে-বুড়ো সকলে। কাঁদা পানিতে নেমে কে কত বেশি মাছ ধরতে পারে, তা নিয়ে চলে অলিখিত প্রতিযোগিতা। তবে আগে নানা জাতের দেশীয় মাছ প্রচুর ধরা গেলেও, এখন আর সে দিন নেই। নেই মাছের সেই প্রাচুর্য,তবে অগভীর খাল বিল যদি পুনঃ খনন করা যায়
তবে সেদিন আবার ফিরে আসতে পারে।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ সিরাজগঞ্জ সংবাদ
Theme Customized BY Shakil IT Park