1. yousuf.islamics@gmail.com : admin :
  2. editor@sirajganjsangbad.com : Md. Ruhul Amin : Md. Ruhul Amin
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গভীর রাতে বালিকা বিদ্যালয়ে তাণ্ডব! কাঁটাতারের নিরাপত্তা বেষ্টনী ভাঙচুর, তদন্তে পুলিশ তাড়াশ উপজেলা, পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা বিয়ের প্রলোভনে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ: দুলাভাই পলাতক উল্লাপাড়ায় সরকারি জায়গা দখল করে বিএনপি নেতার মার্কেট নির্মাণ তাড়াশে মাদক সেবনের দায়ে এক মাসের কারাদণ্ড তাড়াশে বাসার গ্রিল কেটে ২৯ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ৩ লাখ টাকা চুরির অভিযোগ তাড়াশে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা তাড়াশে মৎস্যজীবী দলের দোয়া ও ইফতার মাহফিল হঠাৎ অসুস্থ জামায়াত আমির ২০২৬ সেশনের জন্য ছাত্রশিবির, সিরাজগঞ্জ শহর শাখার সভাপতি হাবিবুল্লাহ সরকার সেক্রেটারি নাজমুল হাসান

শীতের পিঠাই তাদের জীবিকা

সিরাজগঞ্জ সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৩০৪ বার পঠিত

শীতে একটুখানি উষ্ণতা দিতে ইতোমধ্যে নিজেদের সাধ্যমতো হরেক রকমের শীতবস্ত্র গায়ে জড়িয়েছেন সকলে। একই সঙ্গে বাহারি ধরনের শীতের পিঠাপুলির আয়োজন চলছে সব স্থানে।

শীতকালে শীতের কুয়াশা ভেজা সকাল ও সন্ধ্যায় পিঠাপুলির আয়োজন বহুকাল আগে থেকেই চলছে। কিন্তু দিন দিন নানা ব্যস্ততা ও ব্যাপকহারে ডিভাইস আসক্তির কারণে ইচ্ছে থাকলেও এখন অনেকেই ঘরে ঘরে শীতের পিঠা বানিয়ে খেতে পারেন না। বাড়িতে পিঠা বানানোর ঝামেলা এড়াতে পিঠার দোকান থেকে পিঠা ক্রয় করে স্বাদ মেটাচ্ছেন অনেকে।

এদিকে শীতকে কেন্দ্র করে নবান্নের নতুন চালের পিঠার স্বাদ নিতে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ব্যস্ততম সড়কের পাশে সস্ত্রীক ও ছেলেসহ শীতের ভাপা ও চিতই পিঠা বানিয়ে বিক্রি করে সংসার চালান জয়নাল আবেদিন। পিঠার মৌ মৌ গন্ধ যেন ভরে আছে চারপাশ। কুয়াশা এড়াতে দৃষ্টিনন্দন সমুদ্রসৈকতের ছাতা ব্যবহার করছেন তিনি। জয়নাল তার স্ত্রী ও ছেলে পুরো পরিবারসহ সকলে একই স্থানে পিঠা বানাচ্ছেন। এ চিত্র দেখে অনেকেই কৌতূহলবশত পিঠা খেতে ভিড় জমাচ্ছেন এখানে।

জয়নালের বাড়ি মাটিরাঙ্গার মাতাব্বর পাড়ায়। ৫ বছর ধরেই পিঠা বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন তিনি। বাকি সময়গুলোতে তিনি একই এলাকায় শ্রমিকের কাজ করেন। তাদের একটি মাত্র ছেলে, ছেলেটিও তাদের সাথে পিঠা বানিয়ে থাকেন। চক্রাকারে একজন বিশ্রাম নেন অপরজন পিঠা বানান। শীতের পুরো সময়জুড়ে পিঠা বিক্রি করেবেন তারা। বাহারি স্বাদের সরিষা ও শুটকির ভর্তাসহ প্রতিটি চিতই ও ভাপা পিঠা ৫ টাকা করে দৈনিক ১৫ কেজি চাউলের প্রায় দেড় দুই হাজার টাকার পিঠা বিক্রি করা হয়। এ দিয়ে চলে যায় পুরো সংসার।

পিঠা বিক্রেতা জয়নাল আবেদিন বলেন, শীতের পিঠা বিক্রি করি ভালোলাগা থেকে। একইসাথে নিজের পারিবারিক চাহিদাও মিটে যায়। এ পিঠা বিক্রি করে ভালোই আছি। তেমন কোনো পরিশ্রম নাই তাতে। পিঠার মান ও স্বাদ অক্ষুণ্ন রাখতে আমরা ঢেঁকিতে চাল গুড়া করে পিঠা বানাই। দামে কম এবং রকমারি স্বাদের ভর্তা দেওয়া হয় বিধায় আমার পিঠা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ সিরাজগঞ্জ সংবাদ
Theme Customized BY Shakil IT Park