1. yousuf.islamics@gmail.com : admin :
  2. editor@sirajganjsangbad.com : Md. Ruhul Amin : Md. Ruhul Amin
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গভীর রাতে বালিকা বিদ্যালয়ে তাণ্ডব! কাঁটাতারের নিরাপত্তা বেষ্টনী ভাঙচুর, তদন্তে পুলিশ তাড়াশ উপজেলা, পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা বিয়ের প্রলোভনে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ: দুলাভাই পলাতক উল্লাপাড়ায় সরকারি জায়গা দখল করে বিএনপি নেতার মার্কেট নির্মাণ তাড়াশে মাদক সেবনের দায়ে এক মাসের কারাদণ্ড তাড়াশে বাসার গ্রিল কেটে ২৯ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ৩ লাখ টাকা চুরির অভিযোগ তাড়াশে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা তাড়াশে মৎস্যজীবী দলের দোয়া ও ইফতার মাহফিল হঠাৎ অসুস্থ জামায়াত আমির ২০২৬ সেশনের জন্য ছাত্রশিবির, সিরাজগঞ্জ শহর শাখার সভাপতি হাবিবুল্লাহ সরকার সেক্রেটারি নাজমুল হাসান

একপাক্ষিক ও পাতানো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে: টিআইবি

সিরাজগঞ্জ সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৪
  • ১৪০ বার পঠিত

দ্বাদশ জাতীয় সংষদ নির্বাচন কেমন ছিল সে বিষয়ে মূল্যায়ন করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলছে, নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং অংশগ্রহণমূলক দেখাতে নিজ দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থী দিয়ে নির্বাচন করলেও বেশিরভাগ আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি।

বুধবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে নিজেদের কার্যালয়ে এই গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন টিআইবির গবেষক মাহফুজুর হক, নেওয়াজুল মওলা ও সাজেদুল ইসলাম।

প্রতিবেদনে বলা হয়, একপাক্ষিক ও ‘পাতানো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ’ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অবাধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়নি। নির্বাচনে শেষের এক ঘণ্টায় ১৫.৪৩ শতাংশ ভোটসহ মোট ৪১.৮ শতাংশ ভোট পড়া বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অন্যদিকে বিএনপিসহ ১৫টি নিবন্ধিত দলের অনুপস্থিতি ও তাদের নির্বাচন বর্জনের কারণে বেশিরভাগ আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি। অন্তত ২৪১টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি।

টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ভোটের দিন সারাদেশে অধিকাংশ কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ছাড়া অন্য দলের প্রার্থীদের পোলিং এজেন্ট ছিল না। প্রতিপক্ষের প্রার্থীদের এজেন্টদের হুমকির মাধ্যমে কেন্দ্রে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখা হয়।

ভোটের দিন স্বল্প ভোটার আগমন এবং ডামি লাইন তৈরি, বিভিন্ন আসনে অন্য দলের প্রার্থীর এজেন্ট বের করে দেওয়া, ভোটের আগে ব্যালটে সিল মারা, ভোট চলাকালে প্রকাশ্য সিল মারাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ করে আওয়ামী লীগের পরাজিত প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

নির্বাচনী নীতিমালায় নির্বাচনকালীন ব্যয় একজন প্রার্থীর জন্য ২৫ লাখ টাকা নির্ধারিত থাকলেও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেটি লঙ্ঘন হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ব্যয় করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। শুধু তাই নয়, তপশিল ঘোষণার আগে ও পরে মিলিয়ে আওয়ামী লীগের একজন প্রার্থীই প্রায় ৩৯ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

গবেষণা দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি ব্যয় করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। ১১ দশমিক ৪৫ গুণ বেশি। বিজয়ী প্রার্থীরা গড়ে ৩ কোটি ৯ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৮ টাকা ব্যয় করেছেন। বিজয়ী একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ৩৮ কোটি ৭৭ লাখ ১০ হাজার ১৪৪ টাকা ব্যয় করেছেন। এবং সর্বনিম্ন একজন ব্যয় করেছেন ১৬ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

এই বিষয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নাম প্রকাশ করব না। তবে সরকারি কোনো সংস্থা জানতে চাইলে আমরা জানাব।’

গবেষণায় বলা হয়, দ্বাদশ নির্বাচনে মোট ব্যয় ১ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা হলেও তা পরে বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ২৭৬ কোটি টাকা। যা একাদশ নির্বাচনের খরচ থেকে তিনগুণ বেশি, বাজেটের অর্ধেকের বেশি ৫৪ শতাংশ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য খরচ হলেও তার কোনো ব্যাখ্যা নেই।

গবেষণা দেখা গেছে- সারা দেশের ৫০টি আসনে ১৪৯ জন প্রার্থীর ওপরে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো না কোনো ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তারা সবাই আওয়ামী লীগের প্রার্থী। ৫৪ শতাংশ আগে কখনো নির্বাচনে অংশ নেয়নি। আওয়ামী লীগ মনোনীত শতভাগ প্রার্থী কোনো না কোনো আচরণবিধি ভেঙেছে।

গণতান্ত্রিক নির্বাচনের ধারণা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চার অন্যতম উপাদানসমূহ, তথা অবাধ, অংশগ্রহণমূলক, নিরপেক্ষ ও সর্বোপরি সমান প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র নিশ্চিতের যে পূর্বশর্ত, তা দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রতিপালিত হয়নি বলে উল্লেখ করেন ইফতেখারুজ্জামান।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ সিরাজগঞ্জ সংবাদ
Theme Customized BY Shakil IT Park