1. yousuf.islamics@gmail.com : admin :
  2. editor@sirajganjsangbad.com : Md. Ruhul Amin : Md. Ruhul Amin
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বেলকুচির জামায়াত নেতা নূরনবী প্রামাণিকের মৃত্যুতে নেতৃবৃন্দের শোক সিরাজগঞ্জে এলপি গ্যাসের দাম ১,৯০০ টাকা চাওয়ায় দোকানিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, উদ্বোধন করলেন ব্রেস্টফিডিং ও এনসিডি কর্নার দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত: সিরাজগঞ্জে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে ৮৫২ মেধাবীকে বৃত্তি ও সম্মাননা দিল খাজা মোজাম্মেল হক (রঃ) ফাউন্ডেশন ‘আমাকে বাঁচতে দেওয়া হলো না’—কিস্তি ও অডিটের চাপে সিরাজগঞ্জে গ্রামীণ ব্যাংক কর্মকর্তার করুণ মৃত্যু বেলকুচিতে স্কুল কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি শাহজাদপুরে বাবার লাঠির আঘাতে মায়ের কোলে থাকা ৯ মাসের শিশুর মৃত্যু সিরাজগঞ্জে নিখোঁজের দুই দিন পর অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার মেজর আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তারের রাতেই সিরাজগঞ্জে রাতভর পুলিশি অভিযান, আ.লীগের ৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

তাড়াশে ক্ষীরার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

সিরাজগঞ্জ সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ৩২৫ বার পঠিত

সাব্বির মির্জা, (তাড়াশ) প্রতিনিধি :

চলনবিল অধ্যুষিত সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বিস্তীর্ণ ফসলী মাঠজুড়ে ক্ষীরার ব্যাপক আবাদ হয়েছে। ইতিমধ্যে ক্ষীরার জমি থেকে ক্ষীরা তুলে বাজার জাত করতে শুরু করেছেন কৃষকেরা। ক্ষীরার ভালো ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুঠে উঠেছে। এ এলাকার ক্ষীরা অন্যান্য এলাকার ক্ষীরার চেয়ে সুস্বাদু হওয়ায় এখানকার ক্ষীরার চাহিদা অনেকটাই বেশি থাকে। পাশাপাশি বোরো ধানের আবাদের চেয়ে ক্ষীরার চাষে খরচ বেশি হলেও লাভের পরিমানটা বেশি হয়। তাই প্রতি বছর বোরো ধানের পাশাপাশি কৃষকেরা ক্ষীরার চাষ করে থাকে। এমনটাই জানালেন বিনোদপুর গ্রামের কৃষক আব্দুস সোবাহান।
তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বারুহাস, সগুনা, মাগুড়াবিনোদ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ফসলী মাঠে এ বছর ব্যাপক ক্ষীরা আবাদ হয়েছে। গত বছর উপজেলায় ২৮০ হেক্টর জমিতে ক্ষীরার আবাদ হলেও চলতি বছর প্রায় ৩২৫ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে।

বারুহাস ইউনিয়নের কুমুম্বীরগ্রামের কৃষক আফসার আলী জানান, এ বছর ক্ষীরার ভালো ফলন হয়েছে। এক বিঘা জমিতে ক্ষীরা চাষ করতে খরচ হয়েছে ১৪-১৫ হাজার টাকা, যা বিক্রি করে ৪৫-৫০ হাজার টাকা আয় করা যাচ্ছে। ফলে প্রতি বিঘা জমিতে ক্ষীরার আবাদ করে কৃষকের লাভ হচ্ছে ৩৫-৪০ হাজার টাকা।

খড়খড়িয়া গ্রামের আরেক কৃষক মফিজ উদ্দিন জানান, প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ১০০ মণ ক্ষীরা উৎপাদন হয়। প্রতি মণ ক্ষীরা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকা থেকে ১ হাজার দুইশত টাকা দরে। এতে লাভবান হচ্ছেন চাষি। উপজেলার স্থানীয় আড়তদাররা প্রতিদিন ২০-৩০টি ট্রাকে করে ক্ষীরা পাঠাচ্ছে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, চলতি বছর ৩০০ হেক্টর জমিতে ক্ষীরা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু আবাদ হয়েছে ৩২৫ হেক্টর জমিতে। গত বছর ২৮০ হেক্টর জমিতে ক্ষীরার আবাদ হলেও এ বছর ৫৫ হেক্টর জমিতে বেশি আবাদ হয়েছে। ক্ষীরা চাষিদের ব্যাপক উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি পরিচর্যার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। ফলে ফলন ভালো হয়েছে। সেই সঙ্গে ভালো দাম পাওয়ায় খুশি কৃষক।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ সিরাজগঞ্জ সংবাদ
Theme Customized BY Shakil IT Park