1. yousuf.islamics@gmail.com : admin :
  2. editor@sirajganjsangbad.com : Md. Ruhul Amin : Md. Ruhul Amin
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রেমের সম্পর্কের পর নির্মম হত্যাকাণ্ড! ১৮ বছর পর মিলল জাহাঙ্গীর শেখ হত্যার বিচার ১ মাস পর পুলিশি তৎপরতায় সিলেট থেকে উদ্ধার নিখোঁজ ২ শিশু চলনবিল রিং জালে সয়লাব: ধ্বংস হচ্ছে মা ও পোনা মাছ, প্রশাসনের কঠোর হুঁশিয়ারি আগস্টে নির্বাচনের তফসিল, ইউপি দিয়ে শুরু হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সিরাজগঞ্জে ১৬ বছর পর আলোচিত হত্যা মামলার রায়: ৭ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তাড়াশে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে আটক ব্যক্তিকে মারধর, পুলিশের কাছে সোপর্দ চলনবিলে বন্যার পানি ঢুকতেই নৌকা তৈরির ধুম! দিন-রাত ব্যস্ত কারিগররা আমি কৃষকের সন্তান, এ পরিচয়ে গর্ববোধ করি”—উল্লাপাড়ায় বিরোধীদলীয় হুইপ রফিকুল ইসলাম খান সিরাজগঞ্জের সেই প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত, কি আছে আদেশে? বেলকুচিতে বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে প্রধান শিক্ষককে মারধর, থানায় অভিযোগ 

তাড়াশে ক্ষীরার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

সিরাজগঞ্জ সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ৩১৭ বার পঠিত

সাব্বির মির্জা, (তাড়াশ) প্রতিনিধি :

চলনবিল অধ্যুষিত সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বিস্তীর্ণ ফসলী মাঠজুড়ে ক্ষীরার ব্যাপক আবাদ হয়েছে। ইতিমধ্যে ক্ষীরার জমি থেকে ক্ষীরা তুলে বাজার জাত করতে শুরু করেছেন কৃষকেরা। ক্ষীরার ভালো ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুঠে উঠেছে। এ এলাকার ক্ষীরা অন্যান্য এলাকার ক্ষীরার চেয়ে সুস্বাদু হওয়ায় এখানকার ক্ষীরার চাহিদা অনেকটাই বেশি থাকে। পাশাপাশি বোরো ধানের আবাদের চেয়ে ক্ষীরার চাষে খরচ বেশি হলেও লাভের পরিমানটা বেশি হয়। তাই প্রতি বছর বোরো ধানের পাশাপাশি কৃষকেরা ক্ষীরার চাষ করে থাকে। এমনটাই জানালেন বিনোদপুর গ্রামের কৃষক আব্দুস সোবাহান।
তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বারুহাস, সগুনা, মাগুড়াবিনোদ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ফসলী মাঠে এ বছর ব্যাপক ক্ষীরা আবাদ হয়েছে। গত বছর উপজেলায় ২৮০ হেক্টর জমিতে ক্ষীরার আবাদ হলেও চলতি বছর প্রায় ৩২৫ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে।

বারুহাস ইউনিয়নের কুমুম্বীরগ্রামের কৃষক আফসার আলী জানান, এ বছর ক্ষীরার ভালো ফলন হয়েছে। এক বিঘা জমিতে ক্ষীরা চাষ করতে খরচ হয়েছে ১৪-১৫ হাজার টাকা, যা বিক্রি করে ৪৫-৫০ হাজার টাকা আয় করা যাচ্ছে। ফলে প্রতি বিঘা জমিতে ক্ষীরার আবাদ করে কৃষকের লাভ হচ্ছে ৩৫-৪০ হাজার টাকা।

খড়খড়িয়া গ্রামের আরেক কৃষক মফিজ উদ্দিন জানান, প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ১০০ মণ ক্ষীরা উৎপাদন হয়। প্রতি মণ ক্ষীরা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকা থেকে ১ হাজার দুইশত টাকা দরে। এতে লাভবান হচ্ছেন চাষি। উপজেলার স্থানীয় আড়তদাররা প্রতিদিন ২০-৩০টি ট্রাকে করে ক্ষীরা পাঠাচ্ছে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, চলতি বছর ৩০০ হেক্টর জমিতে ক্ষীরা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু আবাদ হয়েছে ৩২৫ হেক্টর জমিতে। গত বছর ২৮০ হেক্টর জমিতে ক্ষীরার আবাদ হলেও এ বছর ৫৫ হেক্টর জমিতে বেশি আবাদ হয়েছে। ক্ষীরা চাষিদের ব্যাপক উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি পরিচর্যার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। ফলে ফলন ভালো হয়েছে। সেই সঙ্গে ভালো দাম পাওয়ায় খুশি কৃষক।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ সিরাজগঞ্জ সংবাদ
Theme Customized BY Shakil IT Park