1. yousuf.islamics@gmail.com : admin :
  2. editor@sirajganjsangbad.com : Md. Ruhul Amin : Md. Ruhul Amin
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বেলকুচির জামায়াত নেতা নূরনবী প্রামাণিকের মৃত্যুতে নেতৃবৃন্দের শোক সিরাজগঞ্জে এলপি গ্যাসের দাম ১,৯০০ টাকা চাওয়ায় দোকানিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, উদ্বোধন করলেন ব্রেস্টফিডিং ও এনসিডি কর্নার দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত: সিরাজগঞ্জে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে ৮৫২ মেধাবীকে বৃত্তি ও সম্মাননা দিল খাজা মোজাম্মেল হক (রঃ) ফাউন্ডেশন ‘আমাকে বাঁচতে দেওয়া হলো না’—কিস্তি ও অডিটের চাপে সিরাজগঞ্জে গ্রামীণ ব্যাংক কর্মকর্তার করুণ মৃত্যু বেলকুচিতে স্কুল কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি শাহজাদপুরে বাবার লাঠির আঘাতে মায়ের কোলে থাকা ৯ মাসের শিশুর মৃত্যু সিরাজগঞ্জে নিখোঁজের দুই দিন পর অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার মেজর আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তারের রাতেই সিরাজগঞ্জে রাতভর পুলিশি অভিযান, আ.লীগের ৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

বৈধ কাগজপত্র থাকলেও হয়রানীর শিকার গভীর নলকূপের ব্যবস্থাপক হারুণ

সিরাজগঞ্জ সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ৪১৩ বার পঠিত

লিমন খান কাজিপুর থেকেঃ
বৈধ কাগজপত্র থাকার পরেও হয়নারীর শিকার হচ্ছেন বলে দাবী করেছেন এক গভীর নলকূপের ব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ হারুন। তিনি কাজিপুর উপজেলার মাইজবাড়ী ইউনিয়নের ছালাভরা গ্রামের মৃত শাহজাহান আলীর পুত্র। এই ঘটনায় শনিবার দুপুরে কাজিপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৮২ সালে রেজুলেশনের মাধ্যমে বিএডিসির একটি গভীর নলকূপের ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) হিসেবে দায়িত্ব নেন আব্দুল্লাহ হারুনের পিতা শাহজাহান আলী। সেসময়ে তার চাচা নুরুল ইসলাম ওই সেচের অপারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ১৯৮৮ সালে ওই সেচের সবকিছু চুরি হয়ে যায়। ফলে তখন থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত সংযোগটি পুরোপুরি বন্ধ থাকে। ২০০৫ সালে পানাসী প্রকল্পের মাধ্যেমে দফায় দফায় মিটিং করে ৬ জন ব্যক্তিকে শেয়ার দিয়ে অনেক অর্থ ব্যয়ে ম্যানেজারের দায়িত্ব নিয়ে সংযোগটি চালু করেন আব্দুল্লাহ হারুন। এরপর গত ০২ ডিসেম্বর ২০১২ তারিখে আবারো ওই সংযোগের ট্রান্সফরমার ও মিটার চুরি হয়ে যায়। কৃষকের স্বার্থে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে আবারো সেটি চালু করেন হারুন।
এরপর ২০১৭ সালে বোরিং নষ্ট হয়ে গেলে হারুন তখনো কৃষকের কথা ভেবে তিনটি শ্যালো মেশিন ও তিনটি মটর বসিয়ে ২০২০ সাল পর্যন্ত কৃষককে সেচ প্রদান করেন।
২০২০ সালে বিএডিসির এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে সকল প্রক্রিয়া মেনে সংযোগটি চালু করেন হারুন।
এদিকে পারিবারিক কোন্দলের জের ধরে হারুনের চাচা নুরুল ইসলাম নিজেকে ওই সেচ সংযোগের ম্যানেজার দাবী করে কাজিপুর সংশ্লিষ্ট অফিসে অভিযোগ দায়ের করেন এবং সেচ সংযোগটি দখল করেন। পরে এ নিয়ে তৎকালিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সেচ কমিটির সভাপতি উভয় পক্ষকে ডেকে কাগজপত্র যাচাই করে আব্দুল্লাহ হারুনকেই বৈধ বলে রায় দেন। এরপর শালিশি বৈঠকে মাইজবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় সংযোগটি আব্দুল্লাহ হারুনকে ফিরিয়ে দেয়া হয়। তখন থেকে একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় হারুনের চাচা নুরুল ইসলাম সংযোগটি নিয়ে তাকে বারবার হয়রানী করছেন বলে জানান আব্দুল্লাহ হারুন। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি হয়রানী বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ সিরাজগঞ্জ সংবাদ
Theme Customized BY Shakil IT Park