1. yousuf.islamics@gmail.com : admin :
  2. editor@sirajganjsangbad.com : Md. Ruhul Amin : Md. Ruhul Amin
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বেলকুচির জামায়াত নেতা নূরনবী প্রামাণিকের মৃত্যুতে নেতৃবৃন্দের শোক সিরাজগঞ্জে এলপি গ্যাসের দাম ১,৯০০ টাকা চাওয়ায় দোকানিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, উদ্বোধন করলেন ব্রেস্টফিডিং ও এনসিডি কর্নার দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত: সিরাজগঞ্জে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে ৮৫২ মেধাবীকে বৃত্তি ও সম্মাননা দিল খাজা মোজাম্মেল হক (রঃ) ফাউন্ডেশন ‘আমাকে বাঁচতে দেওয়া হলো না’—কিস্তি ও অডিটের চাপে সিরাজগঞ্জে গ্রামীণ ব্যাংক কর্মকর্তার করুণ মৃত্যু বেলকুচিতে স্কুল কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি শাহজাদপুরে বাবার লাঠির আঘাতে মায়ের কোলে থাকা ৯ মাসের শিশুর মৃত্যু সিরাজগঞ্জে নিখোঁজের দুই দিন পর অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার মেজর আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তারের রাতেই সিরাজগঞ্জে রাতভর পুলিশি অভিযান, আ.লীগের ৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

তাবলিগ জামাতের কাজ শুরু হয় যেভাবে

সিরাজগঞ্জ সংবাদ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ২০৫ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদঃ
ভারতের উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর জেলার মাজাহির উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা ইলিয়াস কয়েকজন দিনমজুর মুসলমানকে ইসলামি শিক্ষায় দীক্ষিত করতে মেওয়াত অঞ্চলে একটি ইসলামি শিক্ষাকেন্দ্র চালু করেন ১৯১০ সালের দিকে । ভারতের হরিয়ানা ও রাজস্থানের উত্তরে জনবিরল এক অঞ্চলের নাম মেওয়াত। সেখানে পরবর্তীতে প্রায় ১০ বছরে এ শিক্ষাধারা অব্যাহত ছিল।

বর্তমানে দিল্লির যে মসজিদ নিজামুদ্দিন মারকাজ নামে পরিচিত, ১৯২০ সালে সেখান থেকে তাবলিগের মূল কার্যক্রম শুরু করেছিলেন মাওলানা ইলিয়াস। ১৯২৪ সালে হজ থেকে ফিরে তিনি মেওয়াতে গিয়ে দেখেন ধর্মীয় শিক্ষা ও আদর্শের কোনো কিছুই নেই সেখানকার সাধারণ মুসলমানদের মাঝে। এ দৃশ্য তাকে মর্মাহত করে। সিদ্ধান্ত নেন নিজেকে ধর্মপ্রচারের কাজে পুরোপুরি নিয়োগ করার। শিক্ষকতার চাকরি ছেড়ে দেন। নিজ চিন্তা-গবেষণা ও অভিজ্ঞতার আলোকে চালু করেন তাবলিগের নতুন এ কর্মপদ্ধতি। দিল্লিসহ ভারতের বেশ কয়েকটি এলাকায় তাবলিগের এ কার্যক্রম দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তী সময়ে সবশ্রেণির আলেম ওলামা ও ধর্মপ্রাণ মানুষের সমর্থনে তাবলিগের এ পদ্ধতি বিশ্বময় গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে।

১৯৪৪ সালে মাওলানা ইলিয়াস এর ইন্তেকালের পর তার ছেলে মাওলানা ইউসুফ কান্ধলভীকে তাবলিগের আমির করা হয়। অবশ্য ঢাকায় তাবলিগ জামাতের কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৪৮ সালে। মাওলানা আবদুল আজিজের প্রচেষ্টায় তাবলিগ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। মাওলানা আবদুল আজিজ ছিলেন বাংলাদেশে তাবলিগ জামাতের প্রথম আমির।

১৯৬৫ সালে মাওলানা ইউসুফ কান্ধলভীর মৃত্যুর পর দিল্লিতে মাওলানা এনামুল হাসানকে তাবলিগের আমির করা হয়। বর্তমানে ১৫০টির বেশি দেশে মাওলানা ইলিয়াস কান্ধলভীর প্রবর্তিত এ তাবলিগের কার্যক্রম চলছে।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ সিরাজগঞ্জ সংবাদ
Theme Customized BY Shakil IT Park