শরীফুল ইসলাম ইন্না
বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় সিরাজগঞ্জে জেলা জামায়াতের সভাপতি ও সেক্রেটারী নাম উল্লেখ করে ১৭ নেতাকর্মীর নামে মামলা দায়ের করেছে। মামলায় ১০-১২ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে। এই মামলায় পুলিশ জেলা ছাত্র শিবিরের ১৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে।
আজ সোমবার সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ্এতথ্য নিশ্চিত করে বলেন, দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর থানার এসআই মো: সোহাগ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ছাত্র শিবিরের ১৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই জেলা ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মী। এরা হলেন, হাসানুর রহমান হাসান, মুসা শেখ, ইসলাম শেখ, রবিউল ইসলাম, খালিদ হাসান, তারিকুল ইসলাম, আল-ছাহাব, হুমায়ুন কবির, লাদেন শেখ, সাব্বির হোসেন, রাজু আহমেদ, নাজমুল হাসান, মো: আহাদ আলী, শরিফুল ইসলাম, আবির হোসেন সোহাগ।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গোপন সংবাদে পুলিশ জানতে পারে ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মীরা সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার মতিন সাহেবের নৌকা ঘাট এলাকার আমির হোসেনের চায়ের দোকানে সামনে ও তার আশ পাশের এলাকায় ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মীরা অবস্থান করছেন। তারা লোহার রড, বাঁশের লাঠি নিয়ে নৌকা ঘাটের পল্টন এবং শেখ রাসেল শিশু পার্কের বিভিন্ন স্থাপনা ভাংচুরের প্রস্তুতি গ্রহন করে ককটেল বিস্ফোরন করে।
এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মীরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে ১৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এসময় ৫টি লোহার শাবল, ৭টি লোহার রড, ২টি বিস্ফোরিত ককটেলের অংশ উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ৩/৩ক/৬ ও ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫এর ঘ ধারা মামলা দায়ের করে পুলিশ।
মামলায় আরো বলা হয়, পলাতক আসামী জেলা জামায়াতের সভাপতি শাহিনুর ও সেক্রেটারী জাহিদুল ইসলামের সহায়তায় ষড়যন্ত্র ও পরামর্শ করে সবাই মিলে ককটেল বিস্ফোরন ঘটায় ও শেখ রাসেল শিশু পার্কের বিভিন্ন স্থাপনা ভাংচুরের চেষ্টা করে।