
লিমন খান, কাজিপুর প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলা পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের আওতাধিন বিদ্যুৎ চালিত গভীর ও অগভীর সেচ গ্রাহকরা অফিস কর্তৃক প্রদত্ত বিলে মিটারের সাথে অসামঞ্জস্য থাকায় বিদ্যুৎ বিল প্রদান নিয়ে গ্রাহকগণ বিপাকে পড়ায়, অতিরিক্ত বিল সংশোধনের দাবিতে আজ ১৯ মে (রবিবার) দুপুরে অর্ধশত শেচ মালিক ডিজিএম এর নিকট অভিযোগ জানান।
গ্রাহকদের অভিযোগে বিএডিসির শেচ মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মান্নান জানান, মিটার রিডিং কারকগণ সরজমিনে না গিয়ে, মিটার না দেখে অফিসে বসে মনগড়া ভাবে মিটারের নির্ধারিত ড়িডিং এর চেয়ে, প্রায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ অতিরিক্ত বিল লিখে রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও মিটার রিডিং এর গাণিতিক ভুলের কারণে অতিরিক্ত বিল উঠানো হয়েছে। এতে করে বিগত মাসের চেয়ে অতিরিক্ত বিল গুনতে হচ্ছে তাদের। মিটার রিডিং মাস্টারের ভুলের কারণে অতিরিক্ত বিল আমাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে রিডিং মাস্টারদের একাধিকবার সংশোধনের কথা বললেও কোন ফল না পেয়ে আজকে বিদ্যুৎ অফিসে শেচ গ্রাহকদের নিয়ে ডিজিএম অফিসে গিয়ে অভিযোগ করি।
এ বিষয়ে সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা জানান, ইস্কিমের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত আমরা সকল বিল অনুসরণ করে আসতেছি, পূর্বের বিলে কিছু অসামঞ্জস্য রয়েছে, কিন্তু চলতি মাসে ৩০ শতাংশ বিল বেশি আসায় এ নিয়ে আমরা বিপাকে পড়েছি। অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করতে গেলে ঘর থেকে বাড়তি বিল পরিশোধ করতে হবে আমাদের। তাই আজকে আমরা বিদ্যুৎ অফিসে এসেছি।
এ বিষয়ে কাজিপুর বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম সানোয়ার হোসেন ভুলের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, রিডিং কারকের গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর ভুল সংশোধনে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য উপজেলার বিএডিসির আওতাধীন ৭২ টি শেচ মালিকের প্রায় সাত লক্ষ্য টাকা বিল সংশোধনী আনা হয়।