
শরীফুল ইসলাম ইন্না:
সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও চৌহালী উপজেলা
পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেনের হার্ড এটাক (ষ্টোক) করে
মৃত্যুর জন্য বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার সম্পাদক আমীরুল ইসলাম খান
আলিমকে দায়ি করেছেন বেলকুচি উপজেলা বিএনপির নেতারা।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বেলকুচি প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ
সম্মেলনে লিখিত ভাবে এই অভিযোগ করা হয়। বেলকুচি উপজেলা বিএনপি ও পৌর
বিএনপির উদ্যেগে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বেলকুচি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক
অধ্যাপক আব্দুল মান্নান সরকার বলেন, এনায়েতপুর থানা বিএনপির সাবেক
সহ-সভাপতি ও চৌহালী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেনকে
গত ৪ বছর আগে দল থেকে বহিস্কার করা হয়। সেই কষ্ট সহ্য করতে না পেয়ে তিনি
ষ্টোক করে মৃত্যু বরন করেন।
তিনি আরো বলেন, আমীরুল ইসলাম খান আলিম কেন্দ্রীয় নেতা হওয়ার কারনে তিনি
যে নেতাকে প্রতিপক্ষ মনে করেন, তাকে যে কোন অজুহাত দেখিয়ে দল থেকে
বহিস্কার করেন নিজের রাস্তা ক্লিয়ার করার জন্য। তার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার
স্বীকার হয়ে বহিস্কারের কষ্ট সহ্য করতে না পেয়ে লিয়াকত হোসেনের হার্ড
এটাক (ষ্টোক) করে মৃত্যু বরন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বেলকুচি-এনায়েতপুর ও চৌহালী উপজেলার বিএনপির ৫ নেতাকে
বহিষ্কারের প্রতিবাদ ও বহিস্কার প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। ৫ নেতাকে
বহিষ্কারের প্রতিবাদে একটি মিছিল বের করে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বেলকুচি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক
অধ্যাপক আব্দুল মান্নান সরকার, বেলকুচি পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শফিকুল
ইসলাম শফি, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক হাফিজুর রহমান, বেলকুচি উপজেলা বিএনপির
সদস্য রেজাউল করিম, মোশারফ হোসেন, মোখলেছুর রহমান, আব্দুল ওয়াহাব
প্রমুখ।